নয়াখবর
বুধবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রন্থ-পর্যালোচনা Mawdudi and the Making of Islamic Revivalism

অনলাইন ডেস্ক
মার্চ ১২, ২০২৬ ৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সাইয়েদ ভালি রেজা নাসর
Oxford University Press, New York, ১৯৯৬

 

সাইফুল খান

ইসলামি রাজনৈতিক চিন্তার ইতিহাসে মওলানা আবুল আ’লা মওদুদী (১৯০৩–১৯৭৯) এমন একটি নাম যাঁকে এড়িয়ে আধুনিক রাজনৈতিক ইসলামের কোনো আলোচনা সম্পন্ন হয় না। একজন পর্যালোচক যথার্থই বলেছেন রাজনৈতিক ইসলামের ক্ষেত্রে মওদুদীর স্থান ঠিক ততটাই কেন্দ্রীয়, যতটা মার্ক্সবাদের ক্ষেত্রে কার্ল মার্ক্সের। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাবিদকে নিয়ে পাশ্চাত্যের একাডেমিয়ায় দীর্ঘকাল যে বিভ্রান্তি চালু ছিল, তার মূলে ছিল একটি মৌলিক ব্যাখ্যাগত ত্রুটি মওদুদীকে পশ্চিম-বিরোধী প্রতিক্রিয়ার কণ্ঠস্বর হিসেবে দেখার প্রবণতা।

সাইয়েদ ভালি রেজা নাসরের Mawdudi and the Making of Islamic Revivalism (১৯৯৬) সেই ব্যাখ্যাগত ঘেরাটোপ ভেঙে দিয়েছে। MIT-এর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে সম্পন্ন তাঁর পিএইচডি গবেষণার ফলাফল এই বইটি পাশ্চাত্যের একাডেমিক জগতে দ্রুতই ক্লাসিক মর্যাদা পেয়েছে। American Journal of Sociology থেকে American Historical Review একাধিক শীর্ষ পত্রিকা এটিকে সমসাময়িক ইসলামের রাজনৈতিক প্রকাশ বিষয়ক বোঝাপড়ার অপরিহার্য গ্রন্থ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

নাসর ১৯৬০ সালের ২০ ডিসেম্বর তেহরানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিখ্যাত ইরানি দার্শনিক ও ইসলামি ঐতিহ্য-বিশারদ সাইয়েদ হোসেইন নাসরের পুত্র। ১৬ বছর বয়সে তিনি পড়াশোনার জন্য ইংল্যান্ডে যান এবং ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হন। Tufts University থেকে International Relations-এ সর্বোচ্চ সম্মানসহ (summa cum laude) BA, তারপর Tufts-এর Fletcher School of Law and Diplomacy থেকে International Economics ও Middle East Studies-এ MA (১৯৮৪) এবং MIT থেকে Political Science-এ পিএইচডি (১৯৯১) সম্পন্ন করেন।
পিএইচডি-পরবর্তী কর্মজীবনে তিনি প্রথমে Tufts University-তে visiting assistant professor হিসেবে যোগ দেন। বর্তমান বইটি প্রকাশের সময় (১৯৯৬) তিনি University of San Diego-এর Political Science বিভাগের Assistant Professor ছিলেন। পরবর্তীতে Naval Postgraduate School, Fletcher School এবং Harvard-এর Belfer Center-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে তিনি Johns Hopkins University-এর SAIS-এ যোগ দেন এবং ২০১২ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সেই প্রতিষ্ঠানের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। The Shia Revival, The Dispensable Nation-সহ একাধিক প্রভাবশালী গ্রন্থের লেখক নাসর মুসলিম বিশ্বের রাজনীতি ও ইসলামি আন্দোলনসমূহের অন্যতম প্রধান পাশ্চাত্য বিশ্লেষক হিসেবে স্বীকৃত।

বইটির কাঠামো

বইটি দুটি প্রধান খণ্ডে বিভক্ত। প্রথম খণ্ড ‘The Mujaddid from Hyderabad’ শিরোনামে দুটি অধ্যায় নিয়ে গঠিত। প্রথমটি মওদুদীর গঠনমূলক বছরগুলো নিয়ে (The Formative Years), দ্বিতীয়টি পুনরুজ্জীবনবাদী দৃষ্টিভঙ্গির দিকে তাঁর যাত্রার বিশ্লেষণ নিয়ে (The Turn to Revivalism)। দ্বিতীয় খণ্ড ‘Islam Reinterpreted’ শিরোনামে পাঁচটি অধ্যায়ে মওদুদীর চিন্তার কাঠামো বিশ্লেষণ করে ঈমান ও আদর্শ (Faith and Ideology), ইসলামি বিপ্লব (The Islamic Revolution), ইসলামি রাষ্ট্র (The Islamic State), একটি নতুন ইসলাম? (A New Islam?), এবং মওদুদীর কর্তৃত্বের প্রশ্ন (An Old Mandate in a New Age)। গ্রন্থের শেষে রয়েছে মওদুদীর কবিতার পরিশিষ্ট, বিস্তারিত টীকা, শব্দকোষ ও গ্রন্থপঞ্জি।

কেন্দ্রীয় থিসিস: পশ্চিম-বিরোধিতার মিথ ভাঙা

নাসরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো তিনি দেখিয়েছেন যে মওদুদীর চিন্তার উৎসমূল পশ্চিম-বিরোধিতায় নয়, বরং ব্রিটিশ ভারতের সাম্প্রদায়িক ক্ষমতা-প্রতিযোগিতায়। মওদুদীর বক্তব্য পশ্চিমের দিকে তাক করা ছিল বটে, কিন্তু তাঁর মূল অনুপ্রেরণা ছিল ভারতের হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের রাজনীতি, মুসলমান সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব-সংকট এবং পরিচয় নির্মাণের জরুরি প্রয়োজন।

নাসর যুক্তি দেন, ইসলামি পুনরুজ্জীবনবাদ নিছক সাংস্কৃতিক প্রত্যাখ্যান হিসেবে গড়ে ওঠেনি। এটি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি, বহুজাতিক সমাজে ক্ষমতার বয়ান এবং জাতীয়তাবাদের প্রশ্নের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত একটি ঘটনা। খিলাফত আন্দোলনের পতন, কংগ্রেসের ক্রমবর্ধমান হিন্দু জাতীয়তাবাদী ঝোঁক এবং মুসলমানদের রাজনৈতিক হাশিয়াকরণের বাস্তবতাই মওদুদীকে একটি স্বতন্ত্র ইসলামি রাজনৈতিক দর্শন নির্মাণে প্রণোদিত করেছিল।

মওদুদীর চিন্তার মূল উপাদান: নাসরের বিশ্লেষণ

১. হাকিমিয়্যাহ – ঐশী সার্বভৌমত্বের তত্ত্ব

মওদুদীর রাজনৈতিক চিন্তার কেন্দ্রে রয়েছে হাকিমিয়্যাহ বা আল্লাহর একক সার্বভৌমত্বের ধারণা। তাঁর মতে, আল্লাহর সার্বভৌমত্ব এবং মানুষের সার্বভৌমত্ব পরস্পর-বিরোধী। মানুষের শাসন মানেই মানুষের উপর মানুষের আধিপত্য। যা তাঁর বিচারে মানবজাতির দুর্ভোগের মূল কারণ। নাসর দেখান, মওদুদী এই ধারণাটি মধ্যযুগীয় ধর্মতত্ত্ববিদ ইবনে তাইমিয়্যার রচনা থেকে গ্রহণ করে আধুনিক রাজনৈতিক প্রসঙ্গে প্রয়োগ করেছিলেন। পরে সাইয়েদ কুতব এই ধারণাটি আরবি ভাষায় অনুবাদ করে আরও র‍্যাডিক্যাল আকার দেন, যা পরবর্তী জিহাদি আন্দোলনগুলোর মতাদর্শিক ভিত্তি হয়ে ওঠে।

২. থিওডেমোক্রেসি – আধুনিকতার ইসলামি পুনর্নির্মাণ

মওদুদী তাঁর প্রস্তাবিত রাষ্ট্রকে ‘থিওডেমোক্রেসি’ (হুকুমত-ই-ইলাহিয়া) বলে অভিহিত করেন। ধারণাটি আপাতদৃষ্টিতে স্ববিরোধী। একই সাথে ঐশী শাসন এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ। মওদুদীর ব্যাখ্যায়, সার্বভৌমত্ব থাকবে আল্লাহর হাতে, কিন্তু শাসন পরিচালিত হবে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে। ঐতিহ্যবাহী খিলাফতের মতো কোনো বংশানুক্রমিক উত্তরাধিকার নয়, বরং একটি ‘জনপ্রিয় খিলাফত’।

নাসর এখানে একটি চমকপ্রদ বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন: মওদুদী মূলত পশ্চিমা গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রতত্ত্বকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেননি। বরং তিনি সেই মডেলগুলোকে ইসলামি পোশাক পরিয়ে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। উপনিবেশিক রাষ্ট্রকে তিনি যেমন বিরোধিতার লক্ষ্য হিসেবে দেখেছেন, তেমনি তাঁর বিশ্লেষণের মডেল হিসেবেও ব্যবহার করেছেন।

৩. জাহিলিয়্যাহ – আধুনিকতাকে অজ্ঞানতার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করা
মওদুদী ‘জাহিলিয়্যাহ’ শব্দটি যা মূলত ইসলামপূর্ব আরবের অজ্ঞানতার যুগ বোঝাত সেটিকে নতুন অর্থে প্রয়োগ করেন। যেকোনো স্থান বা কাল যেখানে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তাই জাহিলিয়্যাহ। তিনি আধুনিক বিশ্বকে পশ্চিমা ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদসহ এই জাহিলিয়্যাহর অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
নাসর দেখান, এই ধারণাটি মওদুদীর কাছে নিছক ধর্মতাত্ত্বিক বিভাজন ছিল না। এটি ছিল রাজনৈতিক সংহতি নির্মাণের একটি কৌশল। মুসলমানদের একটি পৃথক, একনিষ্ঠ ও আদর্শগতভাবে একক সম্প্রদায়ে রূপান্তরিত করার জন্য এই বৈপরীত্যমূলক পরিচয়টি ছিল অপরিহার্য।

৪. জিহাদ – বৈশ্বিক বিপ্লবের ধারণা
মওদুদী জিহাদকে ঐতিহ্যবাহী অর্থের বাইরে নিয়ে গিয়ে একটি সর্বাত্মক বৈশ্বিক বিপ্লবের ধারণায় রূপান্তরিত করেন। তাঁর মতে, ইসলামের লক্ষ্য কেবল মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো নয়। গোটা পৃথিবীতে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা। এই লক্ষ্যে সমস্ত শক্তির সমন্বিত প্রয়োগই জিহাদ, যার মধ্যে প্রয়োজনে সশস্ত্র সংগ্রামও অন্তর্ভুক্ত।
তবে নাসর একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তুলে ধরেন। মওদুদী পরিবর্তনের জন্য তাৎক্ষণিক বিপ্লবের বদলে ক্রমান্বয়িক পথের পক্ষপাতী ছিলেন। প্রথমে চিন্তার বিপ্লব, তারপর সমাজ পরিবর্তন, অবশেষে রাষ্ট্র পরিবর্তন। এই বিষয়ে তিনি মিশরের সাইয়েদ কুতবের চেয়ে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছিলেন।

৫. ইসলামি রাষ্ট্রের কাঠামো
মওদুদীর প্রস্তাবিত ইসলামি রাষ্ট্রে শরিয়া হবে সর্বোচ্চ আইন। যেসব বিষয়ে শরিয়ার সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই, সেখানে মুসলিম সম্প্রদায়ের ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নাসর দেখান, মওদুদী রাষ্ট্রকে ইজতিহাদ ও জিহাদ ঘোষণার একচেটিয়া অধিকার দিতে চেয়েছিলেন। যা ঐতিহাসিকভাবে উলামার ক্ষমতার এলাকা ছিল। এটি তাঁর চিন্তার একটি বিপ্লবী দিক।

৬. জামায়াতে ইসলামি – আদর্শের সাংগঠনিক রূপ
১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামি শুধু একটি রাজনৈতিক দল ছিল না, এটি ছিল মওদুদীর বৌদ্ধিক প্রকল্পের সাংগঠনিক বাহন। নাসর দেখান, জামায়াতের বিশাল প্রকাশনা কার্যক্রম ও সংগঠন-বিস্তার প্রথমে ভারতে, পরে পাকিস্তানে তারপর বাংলাদেশে (বাংলাদেশকে তিনি উল্লেখ করেননি) এবং শেষমেশ মরক্কো থেকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত মওদুদীর ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে। ইখওয়ানুল মুসলিমিনসহ পরবর্তী অনেক ইসলামি আন্দোলন সাংগঠনিক কাঠামোর ক্ষেত্রে জামায়াতের মডেল অনুসরণ করেছে।

বইটি কেন জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী হয়েছে

প্রথমত, নাসর উর্দু ভাষায় দক্ষ এবং বিস্তারিত মাঠপর্যায়ের গবেষণা করেছেন। ফলে মওদুদীর পারিবারিক ইতিহাস এবং প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে এমন অনেক তথ্য এই বইতে আছে যা ইংরেজিতে আর কোথাও পাওয়া যায় না। The Review of Politics-এর মতে, এই তথ্য-সম্পদের দিক থেকে বইটি অতুলনীয়।

দ্বিতীয়ত, নাসর মওদুদীকে একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে স্থাপন করেছেন শুধু আদর্শিক বিবরণ নয়, বরং কীভাবে একজন চিন্তাবিদের ধারণা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশে আকার নেয় তার একটি জীবন্ত বিশ্লেষণ।

তৃতীয়ত, Journal of Asian Studies উল্লেখ করেছে যে নাসর ইসলামি পরকালতত্ত্ব, সুফিবাদ এবং উর্দু সাহিত্যে তাঁর দক্ষতা ব্যবহার করে মওদুদীর চিন্তার গভীরে পৌঁছেছেন, যা একজন সাধারণ রাজনীতি-বিজ্ঞানীর পক্ষে সম্ভব হতো না।

চতুর্থত, Choice পত্রিকা বলেছে, বইটি শুধু মওদুদীকে নতুনভাবে বোঝার সুযোগ দেয়নি, সামগ্রিকভাবে পুনরুজ্জীবনবাদী ইসলামের পশ্চিমা ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে।

সমালোচনামূলক মূল্যায়ন

তবে বইটি সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। কেউ কেউ মনে করেন নাসর মওদুদীর চিন্তার র‍্যাডিক্যাল দিকগুলো কিছুটা নরম করে উপস্থাপন করেছেন। জিহাদ সম্পর্কে মওদুদীর বক্তব্যের আক্ষরিক পাঠ এবং পরবর্তী জিহাদি আন্দোলনগুলোর উপর তাঁর প্রভাবের প্রশ্নটি বইতে পর্যাপ্তভাবে মোকাবেলা করা হয়নি বলে কোনো কোনো পর্যালোচক মত দিয়েছেন।
তা সত্ত্বেও, ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত এই বইটি তিন দশকেরও বেশি সময় পরে আজও মওদুদী-বিষয়ক যেকোনো গবেষণার অপরিহার্য রেফারেন্স হিসেবে টিকে আছে। বিশ্বজুড়ে একাডেমিক প্রবন্ধে এটি সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত মওদুদী-গ্রন্থগুলোর একটি।

পরিশেষ
রাজনৈতিক ইসলামের উৎস ও গতিপথ বুঝতে চাইলে মওদুদীকে বোঝা অপরিহার্য। আর মওদুদীকে বুঝতে চাইলে নাসরের এই বইটি পড়া অপরিহার্য। দক্ষিণ এশিয়ার ইসলামি রাজনীতি, জামায়াতে ইসলামির মতাদর্শ বা বৈশ্বিক ইসলামি আন্দোলনের আন্তঃসংযোগ নিয়ে গবেষণা করতে আগ্রহী যেকোনো পাঠকের পাঠতালিকায় এই বই অবশ্যই থাকা উচিত।
নাসর প্রমাণ করেছেন যে মওদুদীর চিন্তা কোনো সরল প্রতিক্রিয়াশীল ঘটনা নয়। এটি একটি জটিল ঐতিহাসিক মুহূর্তের সৃষ্টি, যেখানে উপনিবেশবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, আধুনিকতার সংকট এবং ইসলামি ঐতিহ্যের পুনর্ব্যাখ্যা একসাথে ক্রিয়াশীল ছিল। এই বহুস্তরীয় বিশ্লেষণই বইটিকে কালজয়ী করে তুলেছে।

গ্রন্থতথ্য:
Nasr, Seyyed Vali Reza. Mawdudi and the Making of Islamic Revivalism. New York: Oxford University Press, 1996. pp. viii + 222. ISBN: 0-19-509695-9.

লেখক – ইতিহাস, রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষক