নয়াখবর
শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মার্কিন বাজারে তৈরি পোশাকের প্রচারণায় লাস ভেগাসে নজর কেড়েছে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন

অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ১৩, ২০২৬ ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

 

উত্তর আমেরিকার অন্যতম শীর্ষ ফ্যাশন সোর্সিং ট্রেড ফেয়ার ‘সোর্সিং অ্যাট ম্যাজিক ২০২৬’-এ নিজেদের সক্ষমতা ও পণ্যের বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার লাস ভেগাস ট্রেড সেন্টারে ১০ থেকে ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত এ প্রদর্শনীতে বৈশ্বিক ক্রেতা ও তৈরি পোশাক খাতের শিল্প অংশীদারদের নজর কেড়েছে ‘বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন’।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর আর্থিক সহযোগিতা এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মেলায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ২০টি তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান ২১টি বুথ নিয়ে অংশ নেয়।

বিশ্বব্যাপী পোশাক প্রস্তুতকারক, টেক্সটাইল ও ফ্যাব্রিক সরবরাহকারী, বায়ার, প্রখ্যাত ব্র্যান্ড ও ডিজাইনারদের সংযোগ ঘটাতে ‘সোর্সিং অ্যাট ম্যাজিক’ আন্তর্জাতিকভাবে বহুল স্বীকৃত। মার্কিন বাজারে প্রবেশ এবং বৈশ্বিক সোর্সিংয়ের নতুন দুয়ার খুলতে মেলাটি অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে।

এবারের আসরে বাংলাদেশ, চীন, ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রসহ ২৪টি দেশের প্রদর্শকরা অংশ নেন। মেলায় প্রায় ৮০০টিরও বেশি স্টল বা বুথ স্থান পায়। তিন দিনব্যাপী এ ইভেন্টে ৭০টি দেশের আনুমানিক ৮,৫০০ জন দর্শনার্থী সমাগম ঘটে, যার মধ্যে ৭৩ শতাংশেরই বেশি ছিলেন উচ্চপর্যায়ের বায়ার এবং খাতের নীতি-নির্ধারক।

বাংলাদেশি প্রদর্শকরা বিশ্ব বাজারে নিজেদের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা প্রদর্শন করেন। বিশেষ করে নিটওয়্যার, ওভেন গার্মেন্টস, ক্যাজুয়াল পোশাক, কটন শার্ট, প্রিমিয়াম ডেনিম, স্পেশালাইজড ওয়াশড প্রোডাক্ট এবং উচ্চ মূল্যের (হাই-মার্জিন) ফর্মালওয়্যার প্রদর্শন করে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন।

মেলা চলাকালীন বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা আন্তর্জাতিক বায়ারদের সঙ্গে বিপুল সংখ্যক বিজনেস-টু-বিজনেস (B2B) মিটিং ও বাণিজ্য আলোচনায় অংশ নেন। এতে প্রচুর ব্যবসায়িক ইনকোয়ারি বা অনুসন্ধান পাওয়ার পাশাপাশি নতুন রপ্তানি অর্ডারের সম্ভাবনার পথ উন্মোচিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন খাতের পরিবর্তনশীল চাহিদার সঙ্গে বাংলাদেশ যে মানিয়ে নিতে প্রস্তুত—এ মেলায় তা সফলভাবে প্রমাণিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি, রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণ এবং একটি নির্ভরযোগ্য সোর্সিং গন্তব্য হিসেবে দেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করতে এই অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।