নয়াখবর
শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সমুদ্র ও নদীর মোহনায় নৌযানের নিরাপদ চলাচলের জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে: নৌ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ২৪, ২০২৬ ৩:০০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সমুদ্র ও নদীর মোহনায় নৌযানের নিরাপদ চলাচলের জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন নৌ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো : শফিউল বারী

নৌপরিবহন খাতকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও তথ্যভিত্তিক করতে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শুরু হওয়া ‘নৌযান শুমারি ২০২৬’ সফল করার লক্ষ্যে কক্সবাজারের উত্তর নুনিয়াছড়া ঘাটে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

“নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ২০ আগস্ট ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এ শুমারি চলবে আগামী ২৯ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত। নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়নাধীন “নৌযানের ডাটাবেইজ তৈরি ও নৌযান ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ” প্রকল্পের আওতায় নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) যৌথভাবে দেশব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অদ্যাবধি শুমারি কার্যক্রমের লক্ষ্যের প্রায় ৫০% তথ্য সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মোঃ শফিউল বারী (এনডি, ওএসপি, এনডিসি, পিএসসি, বিএন) স্থানীয় জনগণ ও জেলেদের নানা দাবির বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।  বাকখালী নদীর মূল নেভিগেশন চ্যানেলে অবৈধ বেহুন্দি জাল অপসারণ করে জেলেদের মাছ ধরার জন্য পৃথক স্থান নির্ধারণের উদ্দেশ্যে তিনি উপস্থিত কোস্টগার্ড প্রতিনিধিকে নির্দেশ প্রদান করেন। পাশাপাশি বাকখালী নদীতে বিআইডব্লিউটিএ-এর মাধ্যমে পলি অপসারণ ও বয়া-বাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
নৌযান মালিক, শ্রমিক ও জেলেদের শুমারিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে মহাপরিচালক বলেন, সরকারের এই ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত হলে মালিক-শ্রমিকগণ সরকারি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতা সহজে পাবেন। এছাড়া এই ডাটাবেজের ফলে:
– মেরিটাইম সেক্টরে হয়রানি ও আইনি মামলা হ্রাস পাবে।
– মালিকানা দাবি, ক্ষতিপূরণ ও সরকারি অন্যান্য সুবিধা পাওয়া সহজ হবে।
– নিজের নৌযান নিজের নামে সহজেই রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।
– যাত্রী ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার মানোন্নয়নসহ নৌ-পথে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
অবহিতকরণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্মসচিব জনাব মোঃ জাকির হোসেন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও শিপ সার্ভেয়ার (রু.দা.) মির্জা সাইফুর রহমান, নৌ-বাণিজ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল অফিসার (রু.দা.) জনাব শেখ মোঃ জালাল উদ্দিন গাজী, প্রকল্প পরিচালক কমান্ডার সাইফুল আহমাদ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মোঃ তাইফুর আহমেদ ভূঁইয়া, প্রকৌশলী ও জাহাজ জরিপকারক জনাব মোঃ মাহমুদুর রহমানসহ নৌযান মালিক সমিতির প্রতিনিধি এবং বিবিএস-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।