নয়াখবর
মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইরান- যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির কিছু বিতর্কিত বিষয় রয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
জুন ১৫, ২০২৬ ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

 

বিভিন্ন ইরানি গণমাধ্যম ও ইরানের আলোচনাকারী দলের ঘনিষ্ঠ সূত্র যে খসড়া সমঝোতা (draft memorandum) প্রকাশ করেছে, সেখানে ২৪ বিলিয়ন ডলার জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল গঠনের কথা উল্লেখ রয়েছে।

তবে এখানে বিতর্কের সূত্রপাতও রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স এর আগে প্রকাশ্যে বলেছিলেন যে সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে তেহরানকে সরাসরি অর্থ হস্তান্তর করা হবে না বা তাৎক্ষণিকভাবে সম্পদ মুক্ত করা হবে না।

আর বিভিন্ন সূত্রে চুক্তির আর্থিক শর্তাবলীতে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। কিছু প্রতিবেদনে ২৪ বিলিয়ন ডলার সম্পদ মুক্তির কথা বলা হলেও, অন্য কিছু প্রতিবেদনে ২৫ বিলিয়ন ডলার বা ধাপে ধাপে ১২ বিলিয়ন ডলার মুক্তির উল্লেখ রয়েছে। একইভাবে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিলের বিষয়টিও মূলত ইরানি সূত্র থেকে এসেছে; মার্কিন পক্ষ এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে এ ধরনের অঙ্গীকার স্বীকার করেনি।

কী জানা যাচ্ছে?

ইরানের রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম মেহরের প্রকাশিত খসড়ায় ২৪ বিলিয়ন ডলার সম্পদ মুক্তির প্রস্তাব রয়েছে। একই খসড়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের মাধ্যমে অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে ২৫ বিলিয়ন ডলার সম্পদ মুক্তি এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের অঙ্কটি নিশ্চিত করা হয়নি। মার্কিন ও ইরানি পক্ষের বক্তব্যে এখনও উল্লেখযোগ্য অসঙ্গতি রয়েছে, ফলে চুক্তির চূড়ান্ত শর্তাবলী স্পষ্ট নয়।

মূল্যায়ন

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, ২৪ বিলিয়ন ডলার সম্পদ মুক্তি ও ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিলের দাবি ইরানি সূত্রভিত্তিক খসড়া নথিতে রয়েছে, কিন্তু এগুলো এখনো যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা শর্ত নয়। ফলে এ দাবিগুলোকে “প্রস্তাবিত খসড়ার অংশ” হিসেবে দেখা উচিত, চূড়ান্ত ও স্বীকৃত চুক্তির অংশ হিসেবে নয়।

আলোচনায় প্রধান মধ্যস্ততাকারী দেশ পাকিস্তানের
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় মনে হচ্ছে চুক্তি স্বাক্ষরে বিষয়টির সাময়িক হলেও নিষ্পত্তি হয়েছে।

 

মাসুমুর রহমান খলিলীর ওয়াল থেকে