মার্কিন কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা পদক্ষেপ
ট্রাম্প: “আমরা যুক্তরাষ্ট্রে চীনা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে নিষিদ্ধ করছি।”
চীনের জবাব: “তাহলে আমরাও আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে নিষিদ্ধ করব।”
চীন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সংস্থাগুলোর জন্য নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যার ফলে তারা ৪৬টি মার্কিন কোম্পানির পণ্য ক্রয় করতে পারবে না।
এর মাধ্যমে চীন দেখাতে চাইছে যে, বাণিজ্য ও প্রযুক্তি যুদ্ধের ক্ষেত্রে তারা যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলের পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা রাখে।
অনেক বিশ্লেষকের মতে, এই ধরনের পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞার শেষ পর্যন্ত মূল্য দিতে হতে পারে সাধারণ নাগরিকদের, কারণ বাণিজ্যিক সংঘাতের প্রভাব পণ্যের দাম, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থানের ওপর পড়ে।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন-এর মধ্যে প্রযুক্তি ও বাণিজ্য প্রতিযোগিতা গত কয়েক বছর ধরে ক্রমশ তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে Huawei, ZTE, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।
তবে “৪৬টি মার্কিন কোম্পানির পণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ” বা “ট্রাম্প চীনা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছেন”—এ ধরনের দাবিগুলো নির্দিষ্ট সরকারি ঘোষণা বা নীতিমালার মাধ্যমে যাচাই করা দরকার। বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা নির্দিষ্ট খাত, সরকারি ক্রয়, নিরাপত্তা-সংবেদনশীল প্রযুক্তি বা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। এখন সম্ভবত
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রযুক্তি-যুদ্ধ পারস্পরিক পাল্টা পদক্ষেপের পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মাসুমুর রহমান খলিলীর ফেসবুক ওয়াল থেকে
