নয়াখবর
শনিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে বর্তমান সরকার ও সংসদের কোন রাজনৈতিক বৈধতা থাকবে না-সিপিএএ

অনলাইন ডেস্ক
মার্চ ৯, ২০২৬ ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

“গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে বর্তমান সরকার ও সংসদের কোন রাজনৈতিক বৈধতা থাকবে না এমনই মতামত ব্যক্ত করলেন গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা।

সেন্টার ফর পলিসি অ্যানালাইসিস অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি (সিপিএএ) এর উদ্যোগে ৯ মার্চ “নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশ: গণভোটের অঙ্গীকার, জুলাই সনদ এবং সংস্কার প্রস্তাবসমূহের বাস্তবায়ন” শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত হয়। ড. মো: শরিফুল আলম, সাবেক সচিব ও প্রেসিডেন্ট, সিপিএএ উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং নর্থ-সাউর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. একেএম ওয়ারেসুল করিম মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সিপিএএ’র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সচিব জনাব আবদুল কাইউম, সাবেক সিনিয়র সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম, মানারাত ইন্টারন্যাশলাল ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আব্দুর রব, বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসান নাসির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. শাফিউল ইসলাম, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সির্টির সহযোগী অধ্যাপক মিলি রহমান এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও বিশিষ্ট নারী নেত্রী মারদিয়া মমতাজ প্যানেল আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন।
বক্তাগণ বলেন যে বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের পাটাতনের উপর দাড়িয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই জুলাইয়ের অঙ্গীকার অর্থ্যাৎ রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার করার কোন বিকল্প নাই। বক্তাগণ বলেন যে গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে নিরঙ্কুশ সমর্থন দিয়েছে। ফলে জুলাই সনদ এবং সংস্কার উপেক্ষা করার কোন নৈতিক ও আইনী বৈধতা নাই। জনগণের আকাঙ্খাকে অবদমিত করতে আদালতের আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করা আত্মঘাতী হবে মর্মে বক্তাগণ অভিমত ব্যক্ত করেন। যদি গণভোট ও জুলাই চেতনাকে উপেক্ষা করা হয় তাহলে বর্তমান সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে হবে। জুলাই বিপ্লবকে বাদ দিয়ে বর্তমান সংসদের কোন বৈধতা থাকতে পারে না। ১৯৯৬ সাল এবং ২০০৬ সালে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনের ব্যর্থ চেষ্টার উদাহরণ তুলে ধরে বক্তাগণ বলেন যে এর ফলে জাতি রাজনৈতিকভাবে বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছিল। তাই আমাদের উচিত খোলামনে সংস্কার প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়ন করা এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও আকাঙ্খাকে সুরক্ষা দেয়া।
বক্তাগণ আরো বলেন যে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। গণভোটের আকাঙ্খার বাস্তবায়ন ছাড়া সংসদে ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করা যাবে না। বক্তাগণ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্যদেরকে সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়ার আহ্বান জানান।