নয়াখবর
শনিবার, ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিটি গ্রুপের আশ্বাসে ডিইউজের আন্দোলন মুলতবি

অনলাইন ডেস্ক
মে ১৬, ২০২৬ ১০:০২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

শোকজ নোটিশের আড়ালে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘এখন টিভি’র চার সাংবাদিককে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে ফিরতে না দেওয়ার প্রতিবাদে আজ রাজধানীর ওয়ারীতে অবস্থিত এখন টিভি কার্যালয়ের সামনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।
কর্মসূচিতে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, পেশাদার সাংবাদিক এবং সংবাদকর্মীরা সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন। কর্মসূচিতে বক্তারা চার সাংবাদিককে দ্রুত কর্মস্থলে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান।
গত ১১ মে এখন টিভির কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত অবস্থান কর্মসূচি থেকে কর্তৃপক্ষকে চার সাংবাদিককে কাজে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আজকের এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।
পরে মালিকপক্ষের পক্ষ থেকে আলোচনার আশ্বাস দেওয়া হলে আজকের মতো কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করা হয়। চার সাংবাদিককে চাকরিতে পুনর্বহালের বিষয়ে আজ রাতেই সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে সিটি গ্রুপের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম। তিনি বলেন, মালিকপক্ষের আশ্বাসে আমরা আজকের মতো আন্দোলন স্থগিত করেছি। সিটি গ্রুপ আমাদেরকে আলোচনার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আমরা আজ রাতে সিটি গ্রুপের সঙ্গে আলোচনায় বসবো। আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে আবারও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, তুষার আব্দুল্লাহ নাকি সাংবাদিক নেতাদের কিনতে চায়। উনার কত টাকা হয়েছে যে, উনি আমাদের কিনতে চায়। সাংবাদিক নেতাদের কেনা এতো সহজ নয়।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, যেকোনো মূল্যে চার সাংবাদিককে চাকরিতে ফেরত নিতে হবে। কোনো টালবাহানা চলবে না।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরাও যে দুর্নীতিবাজ হয় তার প্রমাণ তুষার আব্দুল্লাহ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের লেজুড়বৃত্তি করে তিনি শত শত কোটি টাকা কামিয়েছেন। দালালী ছাড়া তিনি আর কিছুই পারেন না।
উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এখন টিভির অ্যাসাইনমেন্ট ডেস্ক ইনচার্জ ও বিশেষ প্রতিনিধি মাহমুদ রাকিব, বিশেষ প্রতিনিধি মুজাহিদ শুভ, ডেপুটি অ্যাসাইনমেন্ট ডেস্ক ইনচার্জ ও সিনিয়র রিপোর্টার বেলায়েত হোসাইন এবং সিনিয়র রিপোর্টার আজাহার লিমনকে শোকজ দিয়ে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। প্রায় তিন মাস পার হলেও তাদের কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।