নয়াখবর
সোমবার, ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আটককেন্দ্র সম্প্রসারণে ৩৮.৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে ICE

অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা U.S. Immigration and Customs Enforcement (আইসিই) দেশজুড়ে ডিটেনশন ও প্রসেসিং সেন্টার নির্মাণ ও সম্প্রসারণে প্রায় ৩৮.৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছে। সরকারি একটি নথি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। নথিটি নিউ হ্যাম্পশায়ারের গভর্নর Kelly Ayotte-এর কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয় এবং পরে U.S. Department of Homeland Security সূত্রে তা প্রকাশ্যে আসে।

নথি অনুযায়ী, আইসিই ১৬টি বিদ্যমান ভবন অধিগ্রহণ করে সেগুলোকে আঞ্চলিক প্রসেসিং সেন্টারে রূপান্তর করবে। এসব কেন্দ্রে একসঙ্গে এক হাজার থেকে দেড় হাজার পর্যন্ত অভিবাসীকে স্বল্পমেয়াদে, অর্থাৎ তিন থেকে সাত দিন পর্যন্ত রাখা হবে। পাশাপাশি আরও আটটি বড় ডিটেনশন সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে সাত হাজার থেকে দশ হাজার পর্যন্ত ব্যক্তিকে গড়ে প্রায় ৬০ দিন পর্যন্ত আটকে রাখা যাবে। এসব কেন্দ্র থেকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পরবর্তীতে বিতাড়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এছাড়া ইতোমধ্যে পরিচালিত হচ্ছে এমন আরও ১০টি “টার্নকি” সুবিধা অধিগ্রহণ ও সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আইসিইর মোট শয্যা সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ৯২ হাজার ৬০০-তে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৭৪ শতাংশ বেশি। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে গ্রেপ্তার বৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং প্রায় ১২ হাজার নতুন এজেন্ট নিয়োগের পরিকল্পনার কারণে এই অবকাঠামো সম্প্রসারণ প্রয়োজন বলে বিবেচিত হয়েছে।

এই ব্যয়ের অর্থ আসবে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে United States Congress পাস করা বৃহৎ ব্যয় প্যাকেজ থেকে। ওই প্যাকেজে অভিবাসন আইন প্রয়োগ খাতে মোট ১৭০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়, যার মধ্যে ৪৫ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয় ডিটেনশন ব্যবস্থার জন্য। তুলনামূলকভাবে আগের অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল প্রায় ৩.৪ বিলিয়ন ডলার।

প্রেসিডেন্ট Donald Trump পুনরায় দায়িত্ব নেওয়ার পর কঠোর অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগ শক্তিশালী করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর একাংশ বড় পরিসরে আটক ব্যবস্থার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

(সূত্র – রয়টার্স) আন্তর্জাতিক ডেস্ক/নয়াখবর