বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকল্স ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন – বারভিডার প্রেসিডেন্ট আব্দুল হক বলেন নতুন EV যদি পরিবেশবান্ধব হয়, জ্বালানি সাশ্রয় করে এবং দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে, তাহলে একই প্রযুক্তির মানসম্মত জাপানি রিকন্ডিশন্ড EV আমদানি বন্ধ করার যৌক্তিকতা কোথায়?
আমরা এখানে কোনো ব্যক্তি বা সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে আসিনি। আমরা এসেছি একটি বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত ও ন্যায্য প্রতিবাদ জানাতে।
আমাদের সরাসরি প্রশ্ন—
আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না।
আমরা চাই সমান সুযোগ।
আমরা বলছি—আমদানি বন্ধ করবেন না। প্রয়োজনে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ করুন, Battery SOH পরীক্ষা করুন, বয়স ও নিরাপত্তার মানদণ্ড নির্ধারণ করুন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণের নামে পুরো একটি বৈধ বাজার বন্ধ করে দেওয়া কোনো সমাধান হতে পারে না।
মনে রাখতে হবে, রিকন্ডিশন্ড গাড়ির আমদানি শুধু ব্যবসা নয়—এর সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার ব্যবসায়ী, কর্মচারী, বিনিয়োগকারী এবং মধ্যবিত্ত ভোক্তার স্বার্থ। একই সঙ্গে এই খাত থেকে সরকারও বিপুল রাজস্ব পেয়ে থাকে।
তাই আমাদের দাবি খুব পরিষ্কার—
EV-এর বাজার বন্ধ নয়—বাজারকে সুশৃঙ্খল করুন।
বৈষম্য নয়—সমান সুযোগ দিন।
নিষেধাজ্ঞা নয়—ন্যায্য নীতিমালা দিন।
আমরা সরকারের প্রতিপক্ষ নই।
আমরা সরকারের সহযোগী হতে চাই।
কিন্তু কোনো নীতি যদি একটি পক্ষকে সুযোগ দেয় আর অন্য পক্ষকে একই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে, তাহলে প্রশ্ন তোলার অধিকার আমাদের আছে।
BARVIDA সরকারের কাছে জোরালোভাবে আহ্বান জানাচ্ছে—
জাপানি রিকন্ডিশন্ড EV আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন।
BARVIDA-সহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনায় বসুন।
এবং এমন একটি EV নীতিমালা প্রণয়ন করুন, যেখানে থাকবে ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও সবার জন্য সমান সুযোগ।
আমাদের শেষ কথা—
“EV চাইলে রিকন্ডিশন্ড EV-কেও সুযোগ দিতে হবে।
বাংলাদেশের EV বাজারে বৈষম্য নয়—ন্যায্য প্রতিযোগিতা চাই।”
