নয়াখবর
বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম-এর সাথে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

 

নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি-এর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত Mrs. Thitiporn Chirasawadi  বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ চালুর সম্ভাবনা বিশেষ গুরুত্ব পায়। এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর ও থাইল্যান্ডের রানং বন্দরের (Ranong Port) মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের (Ranong Port) মধ্যে সংযোগ স্থাপন বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক আঞ্চলিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণ, যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সংযোগ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এর মাধ্যমে উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করতে সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমানো এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও গতিশীল করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কার্যকর অংশীদারত্বের মাধ্যমে নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী। চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের (Ranong Port) মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বন্দর উন্নয়ন, সামুদ্রিক যোগাযোগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।